অপরিবর্তিত থাকছে একাদশ, কিপিং করবেন কে?

সিরিজ শুরুর আগেই হেড রাসেল ডোমিঙ্গো বলেছিলেন, প্রথম দুই ম্যাচ কিপিং করবেন নুরুল হাসান সোহান। পরের দুইটিতে গ্লাভস হাতে গলাবেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম দুই ম্যাচ তো শেষ। আজ (রোববার) তৃতীয় খেলায় কিপিং করবেন কে? কোচের কথা ধরলে রোববার তৃতীয় ম্যাচে উইকেটরক্ষক বদলাবে। সোহানের বদলে কিপিং করবেন মুশফিক।

আসলেই কি তা হবে? সত্যিই উইকেটের পিছনে আবার গ্লাভস হাতে দেখা যাবে মুশফিককে? কী ভাবছে টিম ম্যানেজমেন্ট? এ প্রশ্নের আনুষ্ঠানিক উত্তর মেলেনি, অপেক্ষা করতে হবে দুপুর সাড়ে তিনটায় টসের সময় পর্যন্ত। তবে একটি ইঙ্গিত মিলেছে দলের অনুশীলন থেকে।

শনিবার ছিল বাংলাদেশ দলের ঐচ্ছিক অনুশীলন। বরাবরের মতো ঐচ্ছিক অনুশীলন হলেও মাঠে হাজির ছিলেন মুশফিক। কিন্তু একবারও কিপিং গ্লাভস হাতে নিতে দেখা যায় এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটারকে। শনিবারের অনুশীলনে উইকেটকিপিংয়ের চর্চা করেননি মুশফিক। এ থেকে আঁচ পাওয়া যায়, হয়তো রোববারও কিপিং গ্লাভস থাকবে সোহানের হাতেই।

ওদিকে সৌম্য সরকার প্রথম দুই ম্যাচে খেলেননি। লিটন দাসের সঙ্গে ওপেন করছেন নাইম শেখ। প্রথম ম্যাচে কেউ রান পাননি। দ্বিতীয় ম্যাচেও ০ রানে ফিরে যাচ্ছিলেন লিটন দাস। রানের খাতা খোলার আগেই জীবন পেয়ে ৩৩ রান করেছেন তিনি।। নাইমের ব্যাট থেকে ৩৯ বলে এসেছে ৩৯ রান।

সেভাবে কারও কাছে ক্যাচ দিয়ে না বাঁচলেও নাইম যে খুব আস্থা-আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলেছেন- এমন নয়। আর স্ট্রাইকরেটও ভাল ছিল না। দুই ওপেনার কিছু এলোমেলো শট খেললেও শেষ পর্যন্ত প্রথম উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হয়েছেন। বলার অপেক্ষা রাখে না, ঐ ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই ৬ ম্যাচ পর ১২০-১৩০’র ঘর পার হয়ে ১৪১ রান করেছে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের দল।

কাজেই এ ম্যাচে ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম। তারপরও প্রশ্ন থেকে যায় আরেকটি জায়গা নিয়ে। দ্বিতীয় ম্যাচে কিছুই করতে না পারা (৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়ে উইকেটশূন্য) সাইফউদ্দিনকে কি আরও এক ম্যাচে সুযোগ দেয়া হবে? নাকি তার জায়গায় ফেরানো হবে শরিফুল ইসলামকে?

এর উত্তর খুঁজতে গিয়ে শনিবার বেলা ১১.৩০ পর্যন্ত জানা গেছে, শুক্রবারের ম্যাচে আলগা বোলিং করলেও বাদ যাচ্ছেন না সাইফউদ্দিন। অর্থাৎ রোববারের ম্যাচেও তাকে নিয়েই খেলতে নামবে বাংলাদেশ দল। যার মানে দাঁড়ায় অপরিবর্তিত একাদশ ও সোহানের হাতে গ্লাভস দিয়েই সিরিজ নিশ্চিতের মিশনে নামবে স্বাগতিকরা।