শিশুদের ইন্টারনেট ঝুঁকি কমাতে শিক্ষক-অভিভাবকদের স্মার্ট হতে হবে

সন্তানদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও অভিভাবকদেরও স্মার্ট হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সকাল ১০টায় ‘নিরাপদ ইন্টানেট ব্যবহারে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ পরামর্শ দেন।

বক্তারা বলেন, ইন্টারনেট বা অনলাইন পরিষেবা ব্যবহারকারী শিশুদের জন্য কয়েকটি ঝুঁকি রয়েছে। কিশোর-কিশোরীরা বিশেষত ঝুঁকির মধ্যে থাকে। বন্ধুত্ব, সম্পর্ক বা যৌন ক্রিয়াকলাপ সম্পর্কিত আলোচনায় শিশুরা লিপ্ত থাকে। এ জন্য বাবা-মা ও শিক্ষকদের এ সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার।’

তারা আরও বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন গেমস আজকের ভার্চুয়াল খেলার মাঠ। সেখানেই সব সময় সাইবার বুলিং হয়। শিশুদের উত্যক্ত করা যায়। অনলাইন গেমিংয়ে তাদের খেলোয়াড় আক্রমণের শিকার হতে পারে।’

‘সাইবার বুলিং থেকে সুরক্ষার জন্য সর্বোত্তম পন্থা হলো শিশুরা অনলাইনে কী করছে, সেখানে কী ঘটছে, সে ব্যাপারে বাবা-মায়ের সঙ্গে আলাপ করা। প্রয়োজনে সন্তানদের অনলাইন ও মোবাইল কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণের জন্য সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার এবং বিশেষ অ্যাপ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু খোলামেলা আলোচনার বিকল্প নেই।’

শিশুদের সাইবার বুলিং থেকে রক্ষা ও ঝুঁকি কমাতে শিক্ষকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, ‘শিক্ষকদের অবশ্যই তাদের শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রক ও সত্যতা সম্পর্কে শিক্ষা দিতে হবে। একজন শিক্ষককে খুঁজে বের করতে হবে, শিক্ষার্থীরা অনলাইনে কী করছে।’

ঝুঁকি কমাতে অভিভাবকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে বলা হয়, কোনো পাবলিক প্লেসে বাড়ির ঠিকানা, স্কুলের নাম বা ফোন নম্বরের মতো শনাক্ত করা যায় এমন তথ্য কখনই দেবেন না। সন্তান অনলাইনে কী করছে, তার সঙ্গে আপনারাও পরিচিত হোন।

বাবা-মায়ের অনুমতি ব্যতিত সন্তানরা যেন কম্পিউটার ব্যবহার না করে। যদি সন্তানরা কোনো যৌন হয়রানিমূলক বার্তা পায়, তবে যেন তারা বাবা-মাকে অবগত করে এমন পরামর্শ দিন।