সকালে যেসব খাবার খেলে বাড়ে ওজন

সকালের নাস্তা দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাবার। সকালে যদি আপনি পুষ্টিকর খাবার খান; তাহলে সারাদিন আপনি অ্যানার্জি পাবেন। তবে অনেকেই জানেন না, সকালে কোন খাবারগুলো খাওয়া উচিত আর কোনগুলো নয়!

অনেকেই এখন ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে বদ্ধ পরিকর। তবে আপনি যদি ওজন কমাতে চান; তাহলে অবশ্যই সকালের নাস্তার বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। অনেকেই মনে করেন, ব্রেকফাস্ট বাদ দিলেই দ্রুত ওজন কমানো যায়। এটি ভুল ধারণা।

বরং সকালের নাস্তার ফলে সারাদিন কর্মক্ষম থাকা যায়, পাশাপাশি শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে অনেক অ্যানার্জি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, নিয়মিত ব্রেকফাস্ট খাওয়া অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে নাস্তা হতে হবে পুষ্টিকর। জেনে নিন সকালের নাস্তায় যেসব খাবার খেলে ওজন কমে না বরং বেড়ে যায়-

>> সকালের নাস্তায় অনেকেই খালি পেটে জুস বা কফি পান করেন। তবে খালি পেটে এগুলো পান না করে আগে শাক-সবজি বা ফল-মূল অর্থাৎ ফাইবারজাতীয় খাবার খেয়ে নিন। তারপর পান করতে পারেন জুস বা কফি।

>> চা-কফি বা জুস যা-ই খান না কেন, তাতে যেন চিনি মেশানো না থাকে; সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। সকালের নাস্তায় কখনও প্যানকেকস, রেডি-টু-ইট সিরিয়াল, ওয়াফলস, স্মুদি ইত্যাদি খাবেন না। এসব খাবার খেলে রক্তে শর্করার পরিমাণ বেড়ে যায়। যা ডায়াবেটিস রোগীর জন্য বিপজ্জনক হতে পারে।

>> অনেকেই সকালে দেরি করে খাবার খান। এতে ওজন কমে না বরং বাড়ে। অসময়ে ও দেরিতে খাবার খেলে ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়ে। ঘুম থেকে ওঠার পর এটি এক থেকে দেড় ঘণ্টার মধ্যে সকালের নাস্তা সেরে নিন। দিনের শুরুতেই এক গ্লাস হালকা গরম পানি, বাদাম এবং বীজ খাওয়ার চেষ্টা করুন। তারপর স্বাস্থ্যকর সকালের নাস্তা গ্রহণ করুন।

>> ওজন কমানোর যাত্রায় স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রোটিন বাদ না দিয়ে বরং এগুলোকে বন্ধু করুন। কার্বোহাইড্রেট, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের পাশাপাশি প্রোটিনের আদর্শ ভারসাম্য থাকা উচিত খাবারে। পাশাপশি আপনার প্লেটে মনোঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, ভালো কার্বস এবং উচ্চ প্রোটিন অন্তর্ভুক্ত করুন। নিয়মিত ডিম, বাদাম এবং বীজ, হোলগ্রেইন ময়দা রাখুন।

>> সকালের নাস্তায় কখনও প্রক্রিয়াজাত খাবার রাখবেন না। প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেজযুক্ত খাবারগুলোতে রাসায়নিক এবং প্রিজারভেটিভ থাকে। তার চেয়ে বরং সকালের নাস্তায় ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার রাখুন।