ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশে দাঁড়িয়ে মাস্ক খুলে ফুঁকছিলেন সিগারেট!

রাজধানীর শাহবাগে বারডেম হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে মাস্ক খুলে সিগারেট খাচ্ছিলেন ফারুক আহমেদ নামের এক ব্যক্তি। বিষয়টি চোখে পড়ে পাশেই থাকা র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের।

এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট ডাক দেন ফারুককে। তাৎক্ষণিকভাবে হাত থেকে সিগারেট ফেলে দেন তিনি।

হাসপাতালের সামনে ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশে দাঁড়িয়ে মাস্ক খুলে এভাবে সিগারেট ফুঁকতে থাকার বিষয়ে জানতে চাইলে ফারুক জানান, তিনি বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। বাসা থেকে বের হয়ে হাসপাতালে প্রবেশের আগে দোকান দেখে সিগারেট খেতে মন চাইলে সিগারেট ধরান। এজন্য তিনি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ক্ষমা চান। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট ওই ব্যক্তিকে ৫০০ টাকা জরিমানা করেন।

রোববার (২৫ জুলাই) চলমান বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে রাজধানীর শাহবাগে সকাল থেকে শুরু হয় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। আদালত পরিচালনা করছেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ যানবাহন নিয়ে রাস্তায় বের হয়েছে কি-না, প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে মানুষ রাস্তায় চলাচল করছেন কি-না তা কঠোরভাবে মনিটরিং করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। সন্তোষজনক জবাব না পেলে যানবাহন ও ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার বসু বলেন, সরকারের নির্দেশনায় কঠোর লকডাউন চলছে। এ সময় অত্যাবশ্যক প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। সরকার যে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে তা কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা নিশ্চিত করার জন্য। হয়তো লকডাউনের কারণে সাময়িক সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু এটার দীর্ঘমেয়াদি ফল রয়েছে। ব্যক্তি-পরিবার, সমাজ, দেশকে করোনা থেকে সুরক্ষার দিকটা বিবেচনায় আমরা কঠোরভাবে সরকারি বিধিনিষেধ পালনের চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, সরকারি বিধিনিষেধ পালনে ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। একান্তই জরুরি ও অত্যাবশ্যক কারণ ছাড়া বা বিধিনিষেধের নির্দেশনার আওতার বাইরে যারা রয়েছেন তারা শুধু বের হতে পারছেন। এর বাইরে আমরা কিন্তু চেকপোস্ট বসিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জিজ্ঞাসাবাদ করছি, যাদের কারণ যথোপযুক্ত মনে হচ্ছে না তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে, জরিমানাও করা হচ্ছে।