নওগাঁয় দু-মাসে একই স্থান থেকে কষ্টি পাথরের মূর্তির ৩ টি অংশ উদ্ধার করলো পুলিশ

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ নওগাঁয় দু মাসের ব্যবধানে একই  স্থান থেকে মূল্যমান কষ্টি পাথরের মূর্তির বিশেষ ৩ টি অংশ উদ্ধার করেছেন ফাঁড়িও থানা পুলিশ। পৃথক পৃথক ভাবে মূর্তির অংশ গুলো উদ্ধার করা হয় নওগাঁর মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার তেজপাইন গ্রামের মাতা-জি বড় মন্ডপ (স্বশানঘাটি) নামক স্থানে মৃতদেহর সৎকাজের জন্য নতুন খননকৃত একটু পুকুর ( ডোবার)  পারের মাটির ভেতর থেকে।
স্থানিয়রা জানান, ১০ জুলাই শনিবার তেজপাইন গ্রামের সুধির গাইন এর ছেলে চঞ্চল গাইন (২৬) ঐ মন্ডপে পূজা করতে যায়, পূজা শেষে সদ্য খননকৃত পুকুর পারের ধারদিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কিছু অংশ মাটির ভেতর কালো একটি পাথর দেখতে পান এবং তিনি সেটি বাড়িতে নিয়ে এসে প্রথমে চম্বুক ধরছে দেখে ভঁয় পেয়ে ঘড়ের কোনায় রেখে পূজা অর্চনা করেন এবং পরবর্তীতে ঘটনাটি তার পরিচিত সাংবাদিকদের মাধ্যমে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জনাব প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম মহোদয়কে জানান। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নির্দেশনায় স্থানিয় নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই জিয়াউর রহমান জিয়া সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সহ সাংবাদিকদের সাথে নিয়ে সন্ধারাতে তেজপাইন গ্রামে পৌছালে চঞ্চল গাইন পাথরের অংশ বিশেষ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। ঘটনার সংবাদ পেয়ে শনিবার রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
( মহাদেবপুর-সার্কেল) জনাব এটিএম মাইনুল ইসলাম সহ মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) মোঃ আবুল কালাম আজাদ। এরপর উর্দ্ধতন কর্মকর্তার নির্দেশনায় পাথরের অংশ বিশেষ উপস্থিত গ্রামবাসীর সামনেই ওজন করে দেখা যায় ৯শ’ ৯০ গ্রাম ওজন যার আনুমানিক মূল্য ২ লাখ টাকা। পরবর্তীতে মহাদেবপুর থানা হেফাজতে নেওয়া হয় পাথরের অংশটি।
উল্লেখ্য- গত ১৩ মে একই স্থানে মৃতদেহর সৎকাজ করতে গিয়ে কষ্টি পাথরের ২টি মূর্তির অংশ বিশেষ দেখতে পান পার্শ্ববর্তী গনেষপুর গ্রামের লোকজন। ঐ সময় তেজপাইন গ্রামের ভীম অধীকারী নামের এক ব্যাক্তি ও তার সহযোগীরা ঘটনাস্থল থেকে মূর্তির ২ টি অংশ বাড়িতে নিয়েগিয়ে ঘটনাটি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করলেও ঘটনাটি জানার পর গ্রামের লোকজন পুলিশকে খবর দেয়, খবর পেয়ে নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই জিয়াউর রহমান জিয়া সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স সহ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে একটি কালী মূর্তির অংশ বিশেষ যার ওজন ১১ কেজি ৮শ’২০ গ্রাম (কালী মূর্তির নীচের অংশে শিবের অবয়ব আছে)
অপর অংশটি’র ওজন ৪ কেজি ৫শ’ ৮০ গ্রাম (এটি কালী মূর্তির উপরের অংশ) ছিলো, দু মাসের ব্যবধানে পৃথকভাবে উদ্ধারকৃত মোট ৩ টি অংশ বিশেষ এর আনুমানিক মূল্য প্রায় সারে ১৮ লাখ টাকা বলে জানানো হয়েছে।