ফের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে উপচে পড়া ভিড়

মঙ্গলবার ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ কম থাকার পরে বুধবার (৩০ জুন) ফের চাপ বেড়েছে ঘরমুখো যাত্রীদের। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে কঠোর বিধিনিষেধ।

 

শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসা প্রতিটি ফেরিই হাজার হাজার যাত্রীতে বোঝাই। গাদাগাদি করে দাঁড়িয়ে থেকে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে নামছেন তারা। তবে ঢাকাগামী যাত্রীদের তেমন চাপ নেই।

ফেরিতে পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহন পার হচ্ছে। এদিকে শিমুলিয়া প্রান্তে যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় বাংলাবাজার থেকে দ্রুততার সঙ্গে ফেরি শিমুলিয়ার উদ্দেশে রওনা হচ্ছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোর থেকে ঘরমুখো যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার নৌরুটে যাত্রীর চাপ ছিল খুবই কম। তবে বুধবার ফের বেড়েছে যাত্রীদের ঘরমুখো যাত্রা। নৌরুটে ৪টি রোরো, ৫টি ডাম্পসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। ফলে নৌরুটে যানবাহনের কোনো জটলা নেই। ফেরিতে পণ্যবাহী গাড়ির চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মানুষ বেশি পারাপার হচ্ছে। একই সঙ্গে পারাপার হচ্ছে জরুরি সেবামূলক অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য গাড়ি।

ঘরমুখো যাত্রী মো. খালেদ বলেন, ঢাকায় দোকান বন্ধ। তাই মালিক ছুটি দিয়েছে। বাড়ি চলে যাচ্ছি। আবার ফোন দিলে ঢাকায় যাবো।

পরিবার নিয়ে বাড়ি ফেরা শুভ চৌধুরী বলেন, লকডাউনে সব কিছু বন্ধ থাকবে। ঢাকায় চারদেয়ালে বন্দি থাকার চেয়ে বাড়িতেই ভালো। তাই চলে এসেছি।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ফেরিঘাটের সহ ব্যবস্থাপক সামসুল আবেদীন বলেন, সকাল থেকে ঘরমুখো মানুষের চাপ অনেক বেশি। ভোর থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ বাড়ি ফিরতেছে। শিমুলিয়া ঘাটে যাত্রীর চাপ বেশি। তবে ঢাকাগামী যাত্রীদের চাপ অন্যান্য দিনের চেয়ে কমেছে। যাত্রী ও ঘাটে আটকে থাকা পণ্যবাহী পরিবহন পারাপার হচ্ছে।

বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মো. জামালউদ্দিন জানান, বাংলাবাজার ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ভিড় রয়েছে। ঘাটে পুলিশের টহল রয়েছে। কোনো বিশৃঙ্খলা যাতে না হয় সেদিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।