বাজারে ক্রেতাদের ভিড়, বেশি কিনছেন নিত্যপণ্য

বিক্রেতারা বলছেন, সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এমনিতেই বাজারে ভিড় থাকে। কিন্তু আজ ক্রেতাদের আনাগোনা বাজারে, দোকানে বেশি ছিল। রামপুরা বাজারের মুদি দোকানি আসিয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সকাল থেকে ক্রেতার সমাগত বেশি। যারা আমার বান্ধা কাস্টমার তাঁরা আজকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, মসলা, রসুন, পেঁয়াজ, আদা, এগুলো কিছুটা বেশি পরিমাণে কিনছেন। তিনি বলেছেন, শুক্রবার বাজার করে গেছেন এমন অনেকে আজও কিনতে এসেছিলেন। এই বিক্রেতা বলেন, জিনিসপত্রের দাম আগের মতোই আছে।’

বিক্রেতারা বলছেন নিত্যপণ্য বেশি কিনছেন ক্রেতারা।
ওয়াপদা রোডে কথা হচ্ছিল মোসলেম উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে। সরকারি চাকরি করেন। জানালেন, ‘বাইরে বের হওয়া না গেলে কিছু পণ্যের মজুত থাকা দরকার। এ কারণে পরিমাণে কিছুটা বেশি কিনে রাখছেন। দাম বেড়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, না, বাড়েনি। গত কয়েক দিন ধরে তো এমন দামই ছিল।

গুলশান ও মহানগর প্রজেক্টের দুটি সুপারশপে ক্রেতাদের বেশি উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। ট্রলি ভরে কেনাকাটা করছেন তাঁরা। গুলশানের সুপারশপটির একজন বিক্রয়কর্মী জানালেন, শনিবার এমন ভিড় হয়। তবে আজকে কিছুটা বেশি বলে তাঁর মনে হচ্ছে। এই বিক্রয়কর্মী বলেন, স্যাভলন, হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনছেন অনেকে।

এদিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের কাটাসুর, কারওয়ান বাজার, টাউন হল ও ধানমন্ডির রায়ের বাজারেও মানুষের ভিড় দেখা যায়। একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বেলা দেড়টার দিকে টাউন হল বাজারে যেমন ভিড় ছিল দুপুরের দিকে সচরাচর তেমন থাকে না। বাজারে আসা ক্রেতাদের অনেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, লবণ, আলু ও পেঁয়াজ প্রয়োজনের চাইতে একটু বেশি করে কেনেন। ক্রেতারা বলেন, বাজার খোলা থাকলেও বিধিনিষেধের মধ্যে যাতে ঘরের বাইরে আসতে না হয়, সে কারণে সংসারের প্রয়োজনীয় পণ্যগুলো কিনছেন।