করোনা ভাইরাস-নওগাঁয় সতর্ক অবস্থানে প্রশাসন

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃনওগাঁর পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে, নওগাঁর কয়েকটি উপজেলাকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলা হয়েছে। নওগাঁর ওইসব উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও থানা গুলোর অফিসার ইনচার্জ ( ওসি’দের) ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দিক নির্দেশনা দিয়েছেন প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা।
জানা গেছে, নওগাঁ জেলার পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাথে নওগাঁর দুটি হাইওয়ে সড়ক আছে। এছাড়াও ছোট-অনেকগুলো যাতায়াতের পথ আছে। ইতোমধ্যেই নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার জনাব প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় উপরোক্ত পথ-গুলোতে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে, পাশাপাশি করা হচ্ছে মাইকিং। এসব চেকপোষ্ট গুলোতে জরুরী পন্যবাহী যাহবাহন ছাড়া অন্য কোন রকম যানবাহন চলাচল করতে দেয়া হচ্ছে না। এছাড়াও যেসব পন্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হচ্ছে সেসব যানবাহন গুলোকে ভালোভাবে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।
স্যানিটাইজারের ব্যবহার ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে। এবিষয়ে জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম মহোদয় জানান, যেহেতু চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। তাই সংক্রমন রোধে নওগাঁ-চাঁপাইনবাবগঞ্জের সঙ্গে হাইওয়ে সড়ক ছাড়াও ছোট যাতায়াতের যেসব সড়ক রয়েছে সেগুলোতে ইতোমধ্যেই পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। যাতে কেউ অকারনে যাতায়াত করতে না পারে। আর যেসব পন্যবাহী যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেয়া হচ্ছে সেসব যানবাহন গুলোকে ভালোভাবে জীবানুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে, স্যানিটাইজারের ব্যবহার ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হচ্ছে।
নওগাঁর জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ হারুন-অর-রশীদ মহোদয় জানান, পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে যাতে নওগাঁয় করোনা সংক্রমন ছড়াতে না পারে এই জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় হাট বাজার ও গণপরিবহনে সামাজিক দূরত্ব, শত ভাগ মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য বিধি নিষেধ কার্যকরে আরো বেশী নজরদারীর কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া বিজিবি, ভারত সীমান্তে কড়া নজরদারী রেখেছে বলে জানিয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা। নওগাঁ জেলার সাপাহার, পোরশা ও নিয়ামতপুর উপজেলা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা। আর বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে আছে ধামইরহাট, পত্নীতলা, সাপাহার ও পোরশা সহ ৪টি উপজেলা।
উল্লেখ্য নওগাঁয় মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন, ২ হাজার ১ শত ৮৪ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ হাজার ৯ শত ৮৪ জন। আর মোট মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের বলে নিশ্চিত করেছেন প্রশাসন।