লামায় ট্রিপল মার্ডার মা – মেয়েকে হত্যার আগে ধর্ষণ, গ্রেফতার হয়নি কেউ 

মোঃ শফিকুর রহমান- বান্দরবান প্রতিনিধিঃ
লামায়ট্রিপল মার্ডার ঘটনায় নিহত মা ও মেয়ের শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে । তবে ধর্ষণের বিষয়ে পুরােপুরি নিশ্চিত হতে পরীক্ষার জন্য আলামত পাঠানাে হয়েছে । এদিকে হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন অতিবাহিত হওয়ার পরও এখনাে পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ ।
জানা গেছে , ময়নাতদন্ত শেষে মা ও মেয়ের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখমের চিহ্ন পাওয়া যাওয়ায় হত্যার আগে তাদের ধর্ষণ করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া নিহতের দেবরসহ ৬ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে । অপরদিকে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের লাশ বান্দরবান থেকে লামায় নিয়ে যাওয়া হয় । পরে নিহতের স্বামী নুর মােহাম্মদ কুয়েত থেকেআসার পর রােববার রাত ১০ টায় মা – মেয়েসহ ৩ জনের লাশ দাফন করা হয় ।
পুলিশ জানান , ময়নাতদন্ত শেষে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে । মাজেদা বেগম ও রাফিকে শ্বাসরােধ করে হত্যা করা হয় এবং ১০ মাস বয়সী শিশু নুরীকে আঘাত করে হত্যা করেছে দুবৃত্তরা । হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটনে পারিবারিক দ্বন্দ্ব , ডাকাতি , জমি বিরােধ সবগুলাে বিষয় নিয়ে তদন্ত চলছে । তবে পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ । বান্দরবান জেলার পুলিশ সুপার জেরিন আক্তার বিপিএম বলেন , মামলার তদন্ত চলছে ।
এখনাে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে । পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয় । প্রয়ােজনে তাদের আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।নিহত মা – মেয়ের শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় তাদের হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে কি – না তা জানতে পরীক্ষার জন্য আলামত পাঠানাে হয়েছে । রিপাের্ট আসলে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে ।
 উল্লেখ্য , শুক্রবার সন্ধ্যায় লামা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের চম্পাতলী এলাকার কুয়েত প্রবাসী নুর মােহাম্মদের ঘর থেকে মাসহ দুই মেয়ের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ । নিহতরা হলেন , নুর মােহাম্নদের স্ত্রী মাজেদা বেগম ( ৪০ ) , বড় মেয়ে রাফি ( ১৩ ) ও ছােট মেয়ে নুরী ( ১০ মাস ) ।