নজরপুর ইউনিয়নের রাস্তাগুলোর বেহালদশা

নিজস্ব প্রতিনিধি :- নরসিংদী সদর উপজেলার নজরপুর ইউনিয়নের রাস্তাগুলোর বেহালদশা। নরসিংদী জেলা শহরের অতি নিকটবর্তী হওয়ায় উক্ত ইউনিয়নটি উপশহরে পরিণত। কথায় বলে উপরে ফিটফাট ভিতরে সদরঘাট। গত ২০ মে ২০২১ খ্রি. বৃহস্পতিবার নজরপুর ইউনিয়নে সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, (ক) দড়ি নবীপুর গ্রামের ঝাড় তলা মোড় থেকে যে রাস্তাটি বর্তমান চেয়ারম্যানের বাংলো, নজরপুর-করিমপুর উপবিদ্যু কেন্দ্র, কবরস্হান, বটতলা মাদ্রাসা, নজরপুর ইউনিয়ন পরিষদ হয়ে বালুয়াঘাট বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলের জন্য একেবারে অনুপযোগী। (খ) দড়ি নবীপুর, চম্পকনগর, কালাইগোবিন্দপুর এবং নবীপুর, বালুয়াঘাট, জামালিয়াকান্দি, দিলারপুর, চেঙ্গাতলী বাজার, আলীপুরা, বাহেরচর, নজরপুর উভয় গ্রামবাসীদের মাঝে চলাচলের বা যোগাযোগের একমাত্র সেতু বালুয়াঘাট সেতু। এটা সেতু নয় এযেন এক মরণ ফাঁদ। সেতুটি ভেঙ্গে জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তারপরও উক্ত সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন অটোরিকশা, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ইছারমাথা ও ভটভটিসহ হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। যেন কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। (গ) বালুয়াঘাট বাজার হতে ছগরিয়া পাড়া মোড় পর্যন্ত রাস্তাটির করুণ অবস্থা। অটোরিকশাতো দূরের কথা পায়ে হেঁটে চলাই দায়। রাস্তাটি ভেঙ্গে চুড়ে চৌচির। কিছু কিছু জায়গায় ভিটি বালু দিয়ে বড় বড় গর্তগুলো ডাকার ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছে। ( ঘ) চেঙ্গাতলী বাজার হতে নজরপুর গ্রামের পাকা রাস্তা খাতা কলমে আছে। কিন্তু বাস্তবে নেই। কয়েক স্থানে ইটের সলিং বসানো হলেও বৃষ্টির কারণে রাস্তা থেকে ইট খষে অন্যত্রে পড়ে রয়েছে। কাঁদা মাটি ও হাঁটু সমান জল নিয়েই চলাচল করতে হয় নজরপুর গ্রামে বসবাসকারীদের। বালুয়াঘাট বাজারের ব্যবসায়ীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা নজরপুর ইউনিয়নবাসী তথাৎ চরাঞ্চলবাসী সবচেয়ে অবহেলিত ছিলাম। আজ থেকে ১৫ বছর আগেও আমাদেরকে কেউ চিনতো না। কিন্তু আমাদের চরাঞ্চলবাসীর কথা চিন্তা করে আমাদের এমপি মো. নজরুল ইসলাম হিরু ভাই গত ১০ বছরের মধ্যে নজরপুর ইউনিয়নকে আধুনিক উপশহরে রুপান্তরিত করছেন। এ ইউনিয়নে আজ যা কিছু দেখছেন তা হিরু এমপির কল্যাণে হয়েছে। রাস্তাঘাট নতুন নতুন ব্রীজ, কালভার্ট সব এমপি সাহেব করে দিয়েছেন। এগুলো বছর বছর দেখবাল করার দরকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের। কয়েক বছর ধরে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা/ব্রীজগুলোর সঠিকভাবে মেরামত না করার কারণে এখন পুরো ইউনিয়ন জুড়ে রাস্তাঘাট ও ব্রীজগুলোর বেহালদশা। এবিষয়ে চেয়ারম্যান বাদল সরকারের সাথে দেখা করার জন্য উক্ত ইউনিয়ন পরিষদে গেলে তাকে পাওয়া যায়নি এবং তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন ধরেননি।