নওগাঁয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি, পুলিশের সহযোগীতায় শ্রমিকরা কাটছেন কৃষকের ধান

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠনঃনওগাঁয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছারালো ২ হাজার, মৃত্যু ৩৫ জনের, বিগত বছরের ন্যায় চলতি বছরেও নওগাঁ জেলা পুলিশের সহযোগীতায় বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকরা এসে কাটছেন কৃষকের ধান।
নওগাঁয় দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। নতুন ২ জন সহ নওগাঁয় মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেঁড়ে দারালো ২ হাজার ৭৬ জনে। জেলায় এপর্যন্ত করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করেছেন ৩৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় নতুন ১৭ জন সহ মোট সুস্থ্যতা লাভ করেছেন ১ হাজার ৮ শত ৯৯ জন বলে বুধবার দুপুরে প্রতিবেদককে নিশ্চিত করেছেন নওগাঁ জেলা প্রশাসন অফিস।
নওগাঁতে উপজেলা ভিত্তিক করোনা আক্রান্ত’র চিত্র নিস্নরুপ।
নওগাঁ সদর উপজেলায় ১০০৮ জন, সাপাহার উপজেলায় ১৩৯ জন, রানীনগর উপজেলায় ৮২ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ১৫১ জন, পোরশা উপজেলায় ১১৫ জন, মান্দা উপজেলায় ৬৫ জন, আত্রাই উপজেলায় ৪৯ জন, পত্নীতলা উপজেলায় ১৩৯ জন, নিয়ামতপুর উপজেলায় ৯১ জন, বদলগাছী উপজেলাতে ১৪৭ জন ও ধামুরহাট উপজেলায় ৯০ জন। এনিয়ে নওগাঁতে মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেরে দারালো ২ হাজার ৭৬ জনে। ইতিমধ্যেই মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮ শত ৯৯ জন এবং মৃত্যু বরন করেছেন ৩৫ জন।
বুধবার ২৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলেও নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসন অফিস।
অপরদিকে করোনা ভাইরাসের ৩ য় ধাপের শুরু থেকেই করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ বিভিন্নভাবে জনসেচেতনা মূলক প্রচার-প্রচারণা চালানো সহ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরও সরকারী স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই বেপরোয়াভাবে হাট-বাজার গুলোতে চলাফেরা করছে সাধারন মানুষ। পরিস্থিতি দেখলে মনে হবে, যেন করোনা মুক্ত নওগাঁ জেলা।
জনসচেতনা নয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর হয়ে মাঠে নামতে হবে তবেই স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য হবে মানুষ বলেই মনে করছেন সচেতন মহল।
উল্লেখ্য- নওগাঁর সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম ও অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মোঃ রকিবুল আকতার মহোদয়ের সার্বিক দিক নির্দেশনায় নওগাঁ জেলার প্রতিটি থানা ও ফাঁড়ি সহ জেলা পুলিশের কনেস্টবল থেকে শুরুকরে কর্মকর্তারা মাঠে নেমে রাতদিন করোনা ভাইরাসকালে দায়িত্ব পালন করে আসছেন, এমনকি চলতি ইরি বোরো ধান কাটা ও মাড়াই এর জন্য বিভিন্ন জেলা থেকে নওগাঁতে আসা ধান কাটিয়া শ্রমিকদের উপর নজর রাখা সহ সার্বিক খোঁজ খবর রাখছেন যার কারনে জেলার কৃষকরা তাদের রোপনকৃত মাঠের পাকা ধান সময় মত কেটে ঘড়ে তুলতে পারছেন।