মিরপুরে নাস্তা খেতে বেরিয়ে ১০০ টাকা জরিমানা

লেখক: তানিম টিভি
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

দেশজুড়ে চলমান কঠোর লকডাউনের ৮ম দিনে সড়কে যানবাহন ও মানুষের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। গাড়ি ও রিকশার যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়েছে ট্রাফিক পুলিশকে।

বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) রাজধানীর মিরপুর ১০, ১২ ও ১ নাম্বার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

গত ৭ দিনের তুলনায় মানুষের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ চলাচলও বেশি ছিল এদিন। বেলা ১১ টায় কাফরুল থানা পুলিশের কয়েকটি গাড়ি ১০ নম্বর গোলচত্বরে এসে থামে। মাস্ক না পরা, অযথা রাস্তায় বের হওয়া ইত্যাদি কারণে ওই এলাকা থেকে ১৬ জনকে গাড়িতে তুলে নেয় পুলিশ।

বেলা ১২টার দিকে ঢাকা জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা করিম সবার কথা শুনে বিভিন্ন অঙ্কের জরিমানা করেন।

এর মধ্যে নাশতা খেতে বের হওয়ার কারণে আরিফুল নামে এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

জরিমানা দিয়ে আরিফুল জানান, বাসায় সমস্যা থাকার কারণে মিরপুর ১৩ থেকে তিনি মিরপুর ১০ নাম্বারের একটি হোটেলে নাশতা খেতে ঢুকছিলেন। এ সময় তিনি মাস্ক খুললে পুলিশের সদস্যরা তাকে গাড়িতে উঠিয়ে নেয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, লকডাউন আইন অমান্য করায় মিরপুর ১০ নাম্বার থেকে আটজনকে জরিমানা করা হয়েছে। অন্যদিকে মিরপুরের রূপনগর এলাকায় আরও পাঁচজনকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ বিষয়ে কাফরুল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মুস্তাফিজ বলেন, লকডাউন অমান্য করায় মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট তাদের জরিমানা করেছে। তাদেরকে ধরে নেয়ার এখতিয়ার নেই।

এদিকে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিরপুরের সড়কে বেড়েছে গাড়ির চাপ। ব্যক্তিগত গাড়ি ও রিকশা চড়ে যে যার গন্তব্যে যাচ্ছেন। গাড়িগুলোকে পুলিশ তল্লাশি করলেও রিকশাগুলো ছিল জিজ্ঞাসাবাদের বাইরে। এ এলাকায় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বৃষ্টি নামে। বৃষ্টির বাধা উপেক্ষা করে সড়কে অব্যাহত ছিল মানুষের চাপ। এ সময় ছাতা হাতে পুলিশকে ডিউটি করতে দেখা যায়।

দায়িত্বরত পুলিশের উপ-কমিশনার মাহবুব   বলেন, ব্যাংক-বীমা খুলে দেয়ায় সড়কে গাড়ির চাপ বাড়ছে। গাড়ি সামলাতে ট্রাফিক পুলিশ হিমশিম খাচ্ছে। আগের তুলনায় পুলিশের কাজ বেড়েছে।