বিজয়নগরে শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হল টিকা ক্যাম্পেইন 

লেখক: তানিম টিভি
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

মুহাম্মদ মহসিন আলী বিজয়নগর ব্রাহ্মণবাড়িয়া:
সারাদেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে কভিড-১৯ এর টিকাদান ক্যাম্পেইন শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ৭ আগস্ট শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া কভিড-১৯ এর গনটিকা ক্যাম্পেইন বিকাল ৩টা পর্যন্ত চলার সময় নির্ধারণ থাকলেও দুপুর ২ টার পর অধিকাংশে কেন্দ্রে টিকা শেষ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়ীয়ে থাকার পর টিকা শেষ হয়ে যাওয়ায় অনেকেই বাড়ী ফিরেছে টিকা না নিয়ে।
একদিনের গণটিকাদান ক্যাম্পেইনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার ১০ ইউনিয়নে ১০টি অস্থায়ী টিকাকেন্দ্র করা হয়।   কেন্দ্রগুলোতে সর্বমোট বুথ ছিল ৩০টি। বুথগুলো থেকে নারী পুরুষ মিলিয়ে ৬ হাজার জনকে করোনার টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। টিকা কার্যক্রম পরিচালায় ছিলেন স্বাস্থ্যসহকারি ও পরিবার কল্যাণ সহকারি, সুপারভাইজার ও ট্যাগ অফিসার। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন পুলিশ, আনসার ও গ্রামপুলিশের সদস্যরা। টিকা কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলার সময় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সেচ্ছাসেবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়।
চম্পকনগর ইউনিয়ন পরিষদ ও পত্তন ইউনিয়ন পরিষদের কভিড-১৯ টিকা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, টিকা গ্রহণকারীরা নাগরিক পরিচয় পত্র নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসার পর, পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়ে আসতে বলা হয়। এতে টিকা গ্রহণকারীরা তাৎক্ষণিক ভোগান্তিতে পড়ে। ফটোকপির দোকান গুলোতে ছিল উপচেপড়া ভিড়। সুযোগ বুঝে দোকানীরা ফটোকপির মূল্য বেশি রেখেছে। নাগরিক পরিচয় পত্রের ফটোকপি নিয়ে বুথে প্রবেশ করার পর ফটোকপি হয়ে যায় নিষ্প্রয়োজন। পত্তন ইউনিয়ন পরিষদে টিকা গ্রহণকারী মো. আলম বলেন, করোনাকালে টিকা নিতে আসা মানুষদের হয়রানি না হয়না। ফটোকপির প্রয়োজন নেই তবু মানুষ গুলোকে ফটোকপি করিয়েছে। তিনি টিকা গ্রহণকারীদের হয়রানি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট অনুরোধ করেছেন।