বাবার মৃতদেহের পাশে বসে কান্নারত শিশুকে আর্থিক সহযোগীতা করলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ

লেখক: তানিম টিভি
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাবার মৃতদেহের পাশে বসে কান্নারত শিশুকে আর্থিক সহযোগীতা করলেন নওগাঁ জেলা পুলিশ।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত বাবার মৃতদেহর পাশে বসে শিশু মরিয়ম এর কান্নারত ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ায় সেই শিশু কন্যা মরিয়ম খাতুন (৭) এর পরিবারের পাশে আর্থিক সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিলেন নওগাঁ জেলার মানবিক পুলিশ। নওগাঁর সুযোগ্য ও মানবিক জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া বিপিএম মহোদয়ের নির্দেশনায় পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব ( ওসি) মোঃ শফিউল আজম খান।
বুধবার পোরশা উপজেলার নিতপুর কলোনীপাড়া গ্রামের মৃত্যু বরণকারী মজিবুর রহমানে বিস্বাসের বাড়িতে গিয়ে তার স্ত্রী তানজিলা বেগম (৩২) ও তার মেয়ে মরিয়ম (৭) এর হাতে অনুদানের নগদ ১০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন উপহার সামগ্রী তুলে দেন।
এসময় পোরশা থানার অন্যান্য অফিসার ও ফোর্স এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায় মৃত মজিবুর রহমান বিস্বাস পেশায় একজন ফেরিওয়ালা ছিলেন। তিনি ভ্যানে যোগে মেলামাইন সামগ্রী নিয়ে গ্রামে গ্রামে ফেরি করে বিক্রির মাধ্যমে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। প্রায় এক সপ্তাহ যাবত জ্বর ও সর্দিতে আক্রান্ত হয় ও এক পর্যায়ে স্বাসকষ্ট দেখাদিলে ৫ জুলাই সোমবার সকাল ১১টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পরই দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন।
এ সময় শিশু মেয়ে মোছাঃ মরিয়ম খাতুন তাহার বাবার মৃতদেহর পাশে বসে কান্নাকাটি করার ভিডিও সোস্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়।
পরবর্তীতে তার পরিবারের সদস্যরা মৃত মজিবুর রহমান বিস্বাসের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে এসে সন্ধায় নিয়ম অনুযায়ী দাফন সম্পূর্ণ করেন। বিষয়টি নওগাঁর সুযোগ্য জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া, বিপিএম মহোদয় অবগত হলে, তাহার নির্দেশনায় পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিউল আজম খাঁন এর মাধ্যমে উক্ত মৃতের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য নগদ নগদ ১০ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। এছাড়াও নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষে মানবিক পুলিশ সুপার প্রকৌশলী জনাব আবদুল মান্নান মিয়া, বিপিএম উক্ত অসহায় পরিবারের পাশে সার্বক্ষনিক সব রকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন ওসি।