পা দিয়ে বল আটকে ‘অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ডে’ আউট সোহান

লেখক: তানিম টিভি
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

রোববার ১৭ বলে ৪৪ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে নায়ক হয়েছিলেন কাজী নুরুল হাসান সোহান। ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন সোমবার সুপার লিগের দ্বিতীয় ম্যাচেও, খেলেছেন ২৪ বলে ৪২ রানের ইনিংস। কিন্তু এদিন তিনি ঘটালেন বিব্রতকর এক কাণ্ড, জন্ম দিলেন অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আউটের।

গত মার্চে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ে বাধা দিয়ে অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ডে আউট হয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি ওপেনার দানুশকা গুনাথিলাকা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবস্ট্রাক্টিং দ্য ফিল্ড আইনে আউটের ১১তম ঘটনা ছিল সেটি। এবার সেই একই আইনে সাজঘরে ফিরতে হয়েছে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব লিমিটেডের অধিনায়ক সোহানকে।

ঘটনা প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে ম্যাচের ১৯তম ওভারের তৃতীয় বলের। কামরুল রাব্বির করা খাটো লেন্থের ডেলিভারি পুল করেছিলেন মোহাম্মদ এনামুল। ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক হয়নি, বল ছিল উইকেটের কাছেই। তড়িঘড়ি করে রানের জন্য ছোটেন ননস্ট্রাইকে থাকা সোহান। কিন্তু রান নেয়ার পথে পা দিয়ে আটকে দেন বলটি। ফলে সেটি ধরতে পারেননি বোলার রাব্বি।

সঙ্গে সঙ্গে আপিল করেন রাব্বিসহ দোলেশ্বরের বাকি ফিল্ডাররা। মাঠের দুই আম্পায়ার সরাসরি আউটের সিদ্ধান্ত জানাননি। তারা দ্বারস্থ হন টিভি আম্পায়ারের। তবে নিজের ভুল যেন আগেই বুঝতে পারেন সোহান। থার্ড আম্পায়ার সিদ্ধান্ত জানানোর আগেই প্যাভিলিয়নের পথে হাঁটা ধরেন শেখ জামাল অধিনায়ক।

বিব্রতকরভাবে ইনিংসের সমাপ্তি ঘটলেও, যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলাই করেছেন সোহান। আগেরদিন ২ চার ও ৪ ছয়ের মারে ৪৪ রান করার পর, আজকে খেলেছেন ৪ চার ও ২ ছয়ের মারে ৪২ রানের ইনিংস। স্বভাবসুলভ ব্যাটিংয়ে উইকেটের চারপাশেই বাউন্ডারি হাঁকিয়েছেন তিনি।

সোহানের এমন ইনিংসের পরেও অবশ্য বেশি দূর যেতে পারেনি শেখ জামাল। তবে টপঅর্ডার ব্যাটসম্যানদের বিপর্যয় সামলে বলার মতো সংগ্রহ দাঁড় করাতে পেরেছে তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৩ রান করেছে শেখ জামাল। ম্যাচ জিততে ১২৪ রান করলেই হবে দোলেশ্বরের।

শেখ জামালের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রান করেছেন সোহানই। এছাড়া ইমরুল কায়েস ২৮ বলে ২৭ ও মোহাম্মদ এনামুল করেছেন ১৫ বলে ১৩ রান। আরও একবার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে ৮ বল খেলে মাত্র ৪ রানে সাজঘরে ফিরে গেছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। আগের ম্যাচে ৬০ রান করা সৈকত আলি আজ আউট হয়েছেন মাত্র ১ রানে।

বল হাতে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন রেজাউর রহমান রাজা। এছাড়া শফিকুল ইসলাম ২ ও কামরুল রাব্বি, সাইফ হাসান ও শরিফুল্লাহ নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।