নওগাঁয় আরো ৫০২ টি গৃহহীন পরিবার পেলো মাথা গোঁজার ঠাই নতুন বাড়ি

লেখক:
প্রকাশ: ১১ মাস আগে

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠন, স্টাফ রির্পোটারঃ “বাংলাদেশের একজন মানুষ ও গৃহহীন থাকবে না” স্লোগানে সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় ধাপে নওগাঁয় আরো ৫০২টি গৃহহীন পরিবার পেলো মাথা গোঁজার ঠাঁই নতুন বাড়ি। মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় নওগাঁ জেলা সদর সহ ১১টি উপজেলায় এসব গৃহহীন পরিবার মাথা গোঁজার ঠাঁই নতুন  বাড়ি পেলো।
রবিবার সকাল ১১টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারা দেশের ন্যায় নওগাঁতেও এসব ঘরের উদ্ধোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একযোগে সারাদেশের উপকার ভোগীদের মাঝে নতুন বাড়ি (ঘরের) চাবি, নামজারি দলিল তুলে দেওয়া হয়।
এ উপলক্ষে নওগাঁ জেলা সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় নওগাঁর সুযোগ্য জেলা প্রশাসক জনাব হারুন অর রশিদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের নওগাঁর উপপরিচালক উত্তর কুমার রায়,  সিভিল সার্জন ডাঃ এবিএম আবু হানিফ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একেএম মামুন চিশতী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার হারুন অল রশিদ, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা প্রমুখ ও নওগাঁ  জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার মনি।
এসময় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদকর্মী ও উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ হারুন অর রশিদ জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধনের পর ২ শতাংশ খাস জমি বন্দোবস্তপৃবক, কবুলিয়ত ও নামজারিদলিলসহ ১১টি উপজেলার ৫০২টি উপকারভোগীদের হাতে এসব নতুন ঘর হস্তান্তর করা হয়।
তিনি আরো বলেন,প্রতিটি ঘরে দুইটি কক্ষ, একটি টয়লেট, রান্নাঘর, কমনস্পেস ও একটি বারান্দা আছে। এসব গৃহ প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি গৃহ নির্মাণে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা।
এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১০টি, বদলগাছী ৯টি, মহাদেবপুর ৭৬টি, আত্রাই ১০টি, রানীনগর ৩৩টি, মান্দা ২১টি, পত্নীতলা ১১৭টি, ধামইরহাটে ২০টি, পোরশা ৭১টি, নিয়ামতপুরে ৭৫টি, সাপাহারে ৬০টি গৃহহীন ও ভৃমিহীন পরিবার পেলো এসব নতুন ঘর।
উল্লেখ্য এর আগে ২৩ জানুয়ারি জেলায় ১ হাজার ৫৬টি গৃহহীন ও ভৃমিহীন পরিবারের মাঝে নতুন বাড়ি(ঘর)করে হস্তান্তর করা হয়।