জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি সাঈদ খোকনের

লেখক: তানিম টিভি
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়াউর রহমানের বিচারের দাবিতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ সাঈদ খোকনের নেতৃত্বে মানববন্ধন ও মৌনমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মেয়র হানিফ মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন আয়োজিত এ মানববন্ধন ও মৌনমিছিল শেষে বক্তব্য দেন সাঈদ খোকন। রাজধানীর কদম ফোয়ারা থেকে কার্জন হল পর্যন্ত মৌনমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফিরিয়ে এনে বিচারের রায় কার্যকর ও হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার দাবি করেন সাবেক এই মেয়র।

মানববন্ধনে ফাউন্ডেশনের সভাপতি অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ওমর আলীসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন।

সাঈদ খোকন বলেন, জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকরের দাবি নিয়ে আপনারা যারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন সাবেক মেয়র হানিফ পরিবারের পক্ষ থেকে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনের সবকিছু দিয়ে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। তার কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা জীবনের ৪০টি বছর উজাড় করে দিয়েছেন। তার এই পরিণত বয়সেও প্রাণপ্রিয় পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করে সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা জাতির জনকের কন্যার সঙ্গে আছি, ছিলাম, আছি থাকব।

সাবেক এই মেয়র বলেন, বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ঢাকাবাসীর সম্পর্ক ছিল আবেগের। তিনি (বঙ্গবন্ধু) পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পুরান ঢাকায় এসেছিলেন। ঢাকার মানুষ দুই হাত উজাড় করে দিয়ে তাকে গ্রহণ করেছিলেন। তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ৭৯ নাজিরা বাজার লেন এসে বসবাস করেছিলেন। আমার নানা, দাদা-দাদি বঙ্গবন্ধুর পরিবারকে আগলে রেখেছিলেন। চরম সময়ে পুরান ঢাকাবাসী বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন। তার আহ্বানে জীবন দিয়ে কাজ করেছেন পুরান ঢাকাবাসী।

তিনি আরও বলেন, আমি সাঈদ খোকন তৃতীয় প্রজন্ম। আমার দাদা বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ভক্ত ছিলেন, আমার দাদিও তাদের অনুরক্ত ছিলেন। আমার বাবাও রাজধানী মহানগরীর পাঁচ-পাঁচবার সভাপতি ছিলেন। দীর্ঘ ২৫ বছর নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গেছেন। আমার বাবা ১১ বছর বয়সে জাতির জনকের সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। আমার চাচা মোহাম্মদ সুলতান জাতির জনকের একান্ত কর্মী ছিলেন, সহযোগী ছিলেন। তার সাথে জেলও খেটেছেন।

সাঈদ খোকন বলেন, পুরান ঢাকাবাসী কোনো দুর্যোগে, কোনো দুর্ভোগে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে যায়নি। আমরা শেখ হাসিনার সাথে আছি, ছিলাম থাকব।